উপদ্বীপীয় ভারতের গিরিপথ

উপদ্বীপীয় ভারতের গিরিপথ সমূহ

পালঘাট (Palghat / Palakkad Gap)

থলঘাট (Thal Ghat Gap)

ভোরঘাট (Bhor Ghat Gap)

গোরানঘাট (Goran Ghat Gap)

  • অবস্থান : উদয়পুর শহরের সঙ্গে সিরোহী ও ঝালোরের মধ্যে অবস্থিত
  • বৈশিষ্ট্য : গোরানঘাট গ্যাপ মাউন্ট আবুর দক্ষিণে অবস্থিত |

হলদিঘাট (Haldighat Gap)

  • অবস্থান : রাজসামান্ড ও পালি জেলার মধ্যে সংযোগরক্ষাকরী পথ ।
  • বৈশিষ্ট্য : হলদিঘাট গ্যাপ আরাবল্লী শৈলশিরাতে অবস্থিত । গিরিপথটি ঐতিহাসিক কারণে বিখ্যাত । ১৫৭৬ খ্রিস্টাব্দে মেবারের রানা প্রতাপ সিং এর সঙ্গে আম্বরের রাজা মানসিং ও মোগল সম্রাট আকবরের যুদ্ধ হয়েছিল ।

আসিরগড় ফোর্ট পাস (Asirgarh Fort Pass)

  • অবস্থান : সাতপুরা রেঞ্জের মধ্যে অবস্থিত (মধ্য প্রদেশ)
  • বৈশিষ্ট্য : আসিরগড় ফোর্ট পাস উত্তর ভারতকে দাক্ষিণাত্য মালভূমির সাথে যুক্ত করেছে । এই পাসটি King Asa Ahir তৈরী করেছে । মধ্য প্রদেশ রাজ্যের বুরহানপুর শহর থেকে প্রায় 20 কিলোমিটার উত্তরে আসিরগড় ফোর্ট পাস অবস্থিত যাহা Dakkani Darwaza বা Doorway to the Deccan নামেও পরিচিত ।

আম্বা ঘাট পাস (Amba Ghat Pass)

  • অবস্থান : মহারাষ্ট্র (পশ্চিম ঘাটের সহ্যাদ্রি পর্বতমালায় অবস্থিত) ।
  • বৈশিষ্ট্য : এটি মহারাষ্ট্রের রত্নগিরি জেলাকে কোলাপুরের সাথে সংযুক্ত করেছে । আম্বা ঘাট পাস অঞ্চলটি পর্বতময় ও তার মনোরম পরিবেশ ভ্রমণের জন্য আদর্শ । এই অঞ্চলে প্যারাগ্লাইডিং করা হয় ।

চোরলা ঘাট পাস (Chorla Ghat Pass)

  • অবস্থান : পশ্চিম ঘাটের সহ্যাদ্রি পর্বতমালা (গোয়া, কর্ণাটক এবং মহারাষ্ট্রে অবস্থিত) |
  • বৈশিষ্ট্য : Chorla Ghat পাসটি গোয়া, কর্ণাটক এবং মহারাষ্ট্রকে সংযুক্ত করে । এই অঞ্চলটি বিখ্যাত নেকড়ে সাপের জন্য বিখ্যাত । এই পাসটি কর্ণাটক রাজ্যের বেলগাঁও জেলা থেকে প্রায় 54 কিলোমিটার পশ্চিমে এবং গোয়ার রাজধানী পানাজি থেকে প্রায় 50 কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত ।

মালশেজ ঘাট পাস (Malshej Ghat Pass)

  • অবস্থান : পশ্চিম ঘাটের সহ্যাদ্রি পর্বতমালার অন্তর্গত Lofty Rugged পাহাড় (মহারাষ্ট্র)|
  • বৈশিষ্ট্য : এই Malshej Ghat পাসটি মহারাষ্ট্রের পুনে জেলা থেকে প্রায় 150 কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং আহমেদনগর ও থানে জেলার সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত। এই অঞ্চলটি ভ্রমনের জন্য আদর্শ এবং মনোরম ।

নানঘাট পাস (Naneghat Pass)

  • অবস্থান : পশ্চিমঘাটের সহ্যাদ্রি রেঞ্জে অবস্থিত (মহারাষ্ট্র)
  • বৈশিষ্ট্য : এই পাসটি ব্যবসায়ীদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল । এই পাসটি পুনেকে জুনার শহরের সাথে যুক্ত করে । এটি নানাঘাট বা নানার ঘাট নামেও পরিচিত ।

তমহিনী ঘাট (Tamhini Ghat)

  • অবস্থান : পশ্চিমঘাটের সহ্যাদ্রি পর্বতমালায় অবস্থিত (মহারাষ্ট্র)
  • বৈশিষ্ট্য : এটি পুনে জেলায় অবস্থিত । পরিবেশ খুব মনোরম ও অঞ্চলটি ক্যাসকেডিং জলপ্রপাতের জন্য বিখ্যাত।

কুমবারলি ঘাট পাস (Kumbharli Ghat Pass)

  • অবস্থান : পশ্চিমঘাট পর্বতমালা (মহারাষ্ট্র)
  • বৈশিষ্ট্য : এই পাসটি কোঙ্কন উপকূলের রত্নাগিরি জেলাকে মহারাষ্ট্রের সাতারা জেলার সাথে যুক্ত করেছে ।

আম্বোলি ঘাট পাস (Amboli Ghat Pass)

  • অবস্থান : পশ্চিম ঘাটের সহ্যাদ্রি পর্বতমালা (মহারাষ্ট্র)
  • বৈশিষ্ট্য : মনোরম পরিবেশ, পাহাড়ি অঞ্চল, বেশ কিছু জলপ্রপাত ও জঙ্গল এই অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য । মহারাষ্টের Sawantwadi ও কর্ণাটকের Belgaum এই পাসের মাধ্যমে যুক্ত ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *