স্তূপ পর্বত কাকে বলে? (Block Mountains) | হোর্স্ট ও গ্রাবেন

স্তূপ পর্বত:

প্রসারণ বলের প্রভাবে দু’টি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ যখন পার্শ্ববর্তী অংশ হতে চাপের ফলে ওপরে উঠে যায় বা দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ চাপের ফলে নিচে বসে যায়, তখন উঁচু অংশকে স্তূপ পর্বত বলা হয়।

গ্রস্ত উপত্যকা:

দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ নিচে বসে গিয়ে যে অবনমিত অংশের সৃষ্টি করে তাকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।

হোর্স্ট ও গ্রাবেন: 

স্তূপ পর্বতের অপর নাম হোর্স্ট। গ্রস্ত উপত্যকার আর এক নাম গ্রাবেন (মধ্যভারতের সাতপুরা পর্বত হোস্ট জাতীয় পর্বত এবং এর দু’পাশে দুটি গ্রাবেন বা গ্রস্ত উপত্যকা হ’ল নর্মদা উপত্যকা ও তাপ্তী উপত্যকা।

স্তূপ পর্বতের উদাহরণ:-

  • ফ্রান্সের ভোজ ও জামানীর ব্ল্যাকফরেস্ট পর্বত দুটি স্তূপ পর্বত এবং এদের মধ্যবর্তী রাইন নদীর উপত্যকা একটি গ্রস্ত উপত্যকা।
  • পূর্ব আফ্রিকায় পৃথিবীর মধ্যে সর্বাধিক স্তূপ পর্বত লক্ষ্য করা যায়।
  • ভারতের বিন্ধ্য ও সাতপুরা পর্বত দুটি স্তূপ পর্বতের উদাহরণ।
  • বিহারের মালভূমি অঞ্চলে দামোদর নদও প্রস্ত উপত্যকার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

স্তূপ পর্বতের বৈশিষ্ট্য:

[১] স্তূপ পর্বতের ঢাল বেশ খাড়া হয়।
[২] এই পর্বতের চূড়াগুলি চ্যাপ্টা ধরনের হয়।
[৩] ভঙ্গিল পর্বতের মত এই পর্বত বেশি উঁচু বা বহুদূর বিস্তৃত হয় না।
[৪] ভঙ্গিল পর্বতের মত এই পর্বত অনুভূমিক আলোড়নে সৃষ্টি হয় না, মহীভাবক বা লম্বভাবে আলোড়নের ফলে সৃষ্টি হয়।
স্তূপ পর্বত কাকে বলে?
গ্রস্ত উপত্যকা কাকে বলে?
স্তূপ পর্বতের বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো ।
স্তূপ পর্বতের উৎপত্তির কারণগুলি আলোচনা করো।
স্তূপ পর্বতের উদাহরণ দাও ।
হোর্স্ট ও গ্রাবেন কাকে বলে?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *